ইসলাম ধর্ম বা হজরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে কোনো অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়াতে নানা ধরনের, অপপ্রচার চালানো হয়। এই অপপ্রচারে কেউ বিশ্বাস করবেন না। এই অপপ্রচার বন্ধ করার জন্য, এরই মধ্যে আমরা সাইবার ক্রাইম আইন তৈরি করেছি। কেউ যদি এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার করে সাথে সাথে সেই আইন দ্বারা তাদের বিচার করা হবে, গ্রেপ্তার করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ইসলাম ধর্ম বা হজরত মুহাম্মদ (সা. )-এর সম্পর্কে কোনো অপপ্রচার চালানো হলে সাইবার ক্রাইম আইন দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আইন দিয়েই অপপ্রচারকারীদের উপযুক্ত শিক্ষা দেওয়া হবে।

আজ রোববার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘শোকরানা মাহফিল’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের নবী করিম (সা.)-এর সম্পর্কে কেউ কোনো কথা বললে, আইন দ্বারাই তার বিচার হবে। আমরা সেভাবেই এই সোশ্যাল মিডিয়াতে কোনো রকম যাতে অপপ্রচার চালাতে না পারে, সেটা বন্ধ করার জন্য আমরা আইন করে দিয়েছি। আমরা আইন নিজের হাতে তুলে নিব না। আইনের দ্বারাই তাদের বিচার করে উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে দিব। যাতে কখনো তারা এ ধরনের অপপ্রচার চালাতে না পারে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, সামান্য কয়েকটা লোক আমাদের ধর্মের নামে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে ইসলাম ধর্মের নামে বদনাম দেয়। যখনই কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যাই, কেউ যদি বলে ইসলামিস্ট টেররিস্ট, আমি সাথে সাথে আপত্তি জানাই। এটা বলতে পারবেন না। কারণ, সবাই এই টেরোরিজমে বিশ্বাস করে না।

আজ কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসের সনদকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির স্বীকৃতি দিয়ে সংসদে আইন পাস হওয়ায় এই ‘শোকরানা মাহফিল’-এর আয়োজন করা হয়। সকাল ৯টায় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে এই মাহফিল শুরু হয়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধান অতিথি হিসেবে মাহফিলে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগেই আলেমদের সমাগমে একপ্রকার জনসমুদ্রে পরিণত হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

ঢাকাসহ সারা দেশের কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বাস, ট্রেন, লঞ্চে করে ভোর থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে রওনা দিয়েছেন। রাজধানীর মিরপুর, ফার্মগেট, মোহাম্মদপুর, গুলিস্তান, শাহবাগসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শোকরানা মাহফিলে অংশ নিতে যেতে দেখা গেছে। টিএসসি ও মাজারগেট দিয়ে মাহফিল স্থানে প্রবেশ করছেন সারা দেশ থেকে আসা বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। পরে সমাবেশ থেকে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য ভাতার দাবি তোলা হয়।

About স্টাফ রিপোর্টার

Check Also

ঢাকায় চালু হচ্ছে ফাইভ-জি মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা। রাজধানীর প্রায় ২০০টি স্থানে এ সেবা পাওয়া যাবে।এ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *